মঙ্গলবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং , ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ ||
শিরোনাম :
ফেনীর ছাগলনাইয়ায় বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ফেনীতে বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফেনীতে বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে কর্মবিরতি কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ কেড়ে নিলো ফেনীর নজরুলের ফেনীতে গাছে গাছে পাখির বাসা করে দিচ্ছে স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন ছাগলনাইয়ায় পুলিশ পরিচয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই ও টাকা আত্মসাৎ’র চেষ্টা, আটক ২ সোনাগাজীতে এতিমের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা: লুটপাট, হামলার অভিযোগ, মামলা তুলে নিতে হুমকি করোনা দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবিলায় ফেনী পৌরসভার মাস্ক, স্যানিটাজার সহ সাবান বিতরণ ফেনী সন্তান মতিন ভুঁইয়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ধর্ষণের শাস্তি থেকে মুক্তি পেতে ফেনী কারাগারেই প্রথম জাকঁজমকপূর্ণ বিয়ে অনুষ্ঠিত
  • প্রচ্ছদ
  • লাইফস্টাইল
  • অ্যান্টিবায়োটিকে যেসব বিপদ
  • অ্যান্টিবায়োটিকে যেসব বিপদ

    অসুখ থেকে মুক্তি পেতে আমরা দ্বারস্থ হই অ্যান্টিবায়োটিকের। নানা ব্যথা-বেদনা দূর করতে এর বিকল্প নেই বলতে গেলে। কিন্তু সমস্যা হলো এই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া নিয়ে।

    অসুখ থেকে মুক্তি পেতে আমরা দ্বারস্থ হই অ্যান্টিবায়োটিকের। নানা ব্যথা-বেদনা দূর করতে এর বিকল্প নেই বলতে গেলে। কিন্তু সমস্যা হলো এই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া নিয়ে। কখনো খাওয়া হয় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে, কখনোবা নিজেই চিকিৎসক বনে যাই। নিজেরাই খেয়ে ফেলি মুঠো মুঠো অ্যান্টিবায়োটিক।

    এর ফলে সংক্রমণজনিত রোগ হয়ত কমে। কিন্তু তার খারাপ প্রভাব রেখে যায় শরীরে। ভালো ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করার কারণে শরীরে খারাপ ব্যাকটেরিয়ার দৌরাত্ম্য বাড়ে। তারপর অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মাশুল গুণতে হয় আজীবন। তার চেয়ে জেনে নিন কোন অ্যান্টিবায়োটিক কম ক্ষতিকর, কোনটায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম, কতটা খেলে সুস্থ হবেন ওষুধের খারাপ প্রভাব ছাড়াই।

    যেভাবে কাজ করে অ্যান্টিবায়োটিক
    একেক রকমের অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ একেক রকম কাজ করে থাকে।নিউমোনিয়া কমাতে সাধারণত চিকিৎসকরা দেন ক্যুইনোলোনস। এই কম্পোজিশন মেলে লেভোফ্লক্সাসিন আর সিপ্রোফ্লক্সাসিনে। পেনিসিলিনের মতো অ্যান্টিবায়োটিক কোষের গায়ে লেগে থাকা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।এরিথ্রোমাইসিনে থাকে ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক। এরা কোষের মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া রাইবোসোমকে আক্রমণ করে। এবং ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।অর্থাৎ, একেকটি অ্যান্টিবায়োটিক একেকভাবে কাজ করে। এগুলো শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া মেরে আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

    অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার
    সমস্ত ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণেই সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। তবে সবটাই পর্যাপ্ত পরিমাণ।ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটি: একসঙ্গে অনেক ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণ ছড়ালে ব্যবহৃত হয়।লিমিটেড স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটি: কেবলমাত্র নির্দিষ্ট ব্যাকটিরিয়ার আক্রমণ ঠেকাতে ব্যবহৃত হয়।আপনার কোন রোগে কী ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক নেবেন তা ঠিক করবেন চিকিৎসক। অ্যান্টিবায়োটিকের সাহায্যে সাধারণ ত্বকের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, কিডনি বা অন্ত্রের সংক্রমণ, সাইনাস সংক্রমণ, কানে সংক্রমণ, মেনিনজাইটিস, দাঁতের সংক্রমণ কমে থাকে।

    অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
    কিছু ক্ষেত্রে, অ্যান্টিবায়োটিকগুলো ক্ষতিকারক জীবাণু নষ্ট করার পাশাপাশি আপনার শরীরের ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলোকেও নষ্ট করে দেয়। এতে ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়ার সংখ্যা বাড়ে। সুতরাং, অ্যান্টিবায়োটিকের অত্যধিক ব্যবহারের ফলে আপনার শরীরে বিপরীত প্রভাব পড়তে পারে। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বেড়ে সংক্রমণ আরও বেড়ে যেতে পারে। এছাড়াও ডায়রিয়াল সংক্রমণ, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, পেশিতে টান বা ব্যথা, পটির সঙ্গে রক্তপাত হতে পারে।

    আরও পড়ুন

    error: Please Contact: 01822 976776 !!